ফাইলের আকার রূপান্তরকারী
বিট, বাইট, দশমিক ও বাইনারি ফাইল-আকার একক রূপান্তর করুন।
বিট ও বাইট আলাদা করুন
এক বাইটে আট বিট। ছোট ‘b’ বিট, বড় ‘B’ বাইট। তাই ৮০ Mb হলো ১০ MB। ইন্টারনেট সংযোগ সাধারণত সেকেন্ডে বিটে, ফাইল ও সংরক্ষণ বাইটে মাপা হয়।
দশমিক ও বাইনারি উপসর্গ
দশমিক একক ১,০০০ গুণে বাড়ে: ১ KB = ১,০০০ বাইট, ১ GB = ১,০০,০০,০০০ বাইট। বাইনারি IEC একক ১,০২৪ গুণে বাড়ে: ১ KiB = ১,০২৪ বাইট, ১ GiB = ১,০৭৩,৭৪১,৮২৪ বাইট। দুই পদ্ধতি স্পষ্ট রাখা হয়।
ফাইলের আকার রূপান্তরের নিয়ম
- মূল আকারের সংখ্যামান লিখুন।
- ‘থেকে’-তে মূল একক নিন।
- ‘এ’-তে লক্ষ্য একক নিন।
- দিক দ্রুত উল্টাতে অদলবদল বোতাম ব্যবহার করুন।
সংরক্ষণ ও স্থানান্তরের উদাহরণ
৫০০ MB ফাইল দশমিক পদ্ধতিতে ০.৫ GB, কিন্তু আনুমানিক ৪৭৬.৮৪ MiB। ১০০ Mbit/s সংযোগের তাত্ত্বিক সর্বোচ্চ প্রায় ১২.৫ MB/s, বাস্তব প্রোটোকল ও নেটওয়ার্কের অতিরিক্ত অংশ বাদে।
গোলকরণ ও বাস্তব ক্ষমতা
প্রদর্শনের ফল পড়ার সুবিধায় গোল করা হয়। প্রস্তুতকারকের ক্ষমতা, অপারেটিং সিস্টেমের প্রদর্শন, ফাইল-সিস্টেমের অতিরিক্ত অংশ ও স্থানান্তর প্রোটোকলের কারণে দেখা বা ব্যবহারযোগ্য আকার ভিন্ন হতে পারে।
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
বিট ও বাইটের পার্থক্য কী?
এক বাইটে আট বিট। বিটে ছোট b এবং বাইটে বড় B, তাই ৮ Mb ঠিক ১ MB।
MB ও MiB-এর পার্থক্য কী?
দশমিক পদ্ধতিতে ১ MB-তে ১০,০০,০০০ বাইট। বাইনারি পদ্ধতিতে ১ MiB-তে ১০,৪৮,৫৭৬ বাইট। দুটিই ভিন্ন উপসর্গে সংরক্ষণ মাপে।
অপারেটিং সিস্টেম কম সংরক্ষণ দেখায় কেন?
প্রস্তুতকারক সাধারণত দশমিক ক্ষমতা দেয়, আর কিছু অপারেটিং সিস্টেম বাইনারি হিসাব করে বা বাইনারি মানে দশমিক সংক্ষিপ্ত রূপ দেয়। বিন্যাস ও সিস্টেম অংশও জায়গা নেয়।
গিগাবাইট থেকে মেগাবাইট কীভাবে করব?
দশমিক পদ্ধতিতে GB-কে ১,০০০ দিয়ে গুণ করুন। বাইনারিতে ১ GiB ঠিক ১,০২৪ MiB। GB ও GiB-কে একই ভাববেন না।
ইন্টারনেটের গতিতে কোন একক?
সাধারণত Mbit/s বা Gbit/s। সেকেন্ডে আনুমানিক মেগাবাইট পেতে বিট হারকে আট দিয়ে ভাগ করুন।
ফাইলের আকারে কত দশমিক উপযোগী?
সারসংক্ষেপে দুই বা তিন ঘর যথেষ্ট। খুব ছোট লক্ষ্য মানে শূন্য না দেখাতে বেশি অঙ্ক লাগে।